amazon

গুগল সার্চের লিক হওয়া তথ্যের বিস্তারিত

 কি কি বিষয় আছে এবং আমরাই বা কি করতে পারিঃ 


১। ডকুমেন্টে দেখা যায় "Site Authority" নামে একটা মেট্রিক রয়েছে। তারমানে, গুগল বিভিন্ন সময় "Domain Authority" কোন রাঙ্কিং ফ্যাক্টর না এমন দাবি করলেও, বাস্তবতা (গুগলের চোখে) কিন্তু ভিন্ন! 


২। গুগল সার্চ ক্লিকগুলোকে সরাসরি র‍্যাঙ্কিং এলেমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করে। ডকুমেন্টেশন অনুযায়ী অবশ্য বেশ কয়েকটি ক্লিক মেট্রিক রয়েছে ।  যেমন "bad clicks, good clicks, last longest clicks, unsquashed clicks" ।  লিঙ্কের মতো, গুগল ক্লিকগুলোকে র‍্যাঙ্কিং এর জন্য "ভোট" হিসেবে গণ্য করে।


৩। কন্টেন্ট ফ্রেশনেস একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। এখানে তিনটি ভিন্ন মেট্রিক প্রকাশিত হয়েছে: bylineDate, syntacticDate এবং semanticDate। সুতরাং সাইটে পাব্লিশড ডেইট এবং আপডেট ডেইট শো করা খুব ই গুরুত্বপুর্ন! 


৪। siteFocusScore - মানে নিশ সাইট স্টিল কাজ করে এবং গুগল দেখে যে আপনি আপনার মেইন টপিক থেকে কতটা ফোকাস হারিয়েছেন বা ধরে রেখেছেন। 


৫। গুগল একটা ডোমেইনের সব তথ্য জমা করে রাখে এবং নতুন করে রেজিস্টার্ড সাইটে আগের সব অথর এবং কন্টেন্টকে স্যান্ডবক্সড করে রাখে। 


৬। ডকুমেন্ট বা টাইটেলের প্রথম দিকে কিওয়ার্ড (TitleMatchScore) থাকা স্টিল ইম্পরট্যান্ট। 


৭। কন্টেন্ট কতো বড় বা ছোট সেটা ম্যাটার করে না - কতোটা অরিজিনাল (OriginalContentScore), সেটাই ম্যাটার। 


৮। ইন্টারনাল লিঙ্কিং সাইটওয়াইড র‍্যাঙ্কিং এ সবসময় কাজ করে না। সুতরাং যেখানে দরকার, সেখানেই এর প্রয়োগ করুন। সময় বাঁচান। :) 


৯। কন্টেন্টের মধ্যে আমরা মাঝে মাঝে ফ্রেজ বা প্যারাগ্রাফ বা হেডিং বোল্ড করি বা ইটালিক করি - এইটা স্টিল ম্যাটার। 


১০। গুগল লিঙ্ক পাওয়া এবং দেয়ার রেশিও দেখে বুঝে ফেলে আপনি স্পামিং করতেসেন নাকি অটো পাচ্ছেন লিঙ্কগুলো। কিপ ড্যাট ইন মাইন্ড। 


১১। অথরের সাথে সাইটের এন্টিটি ম্যাপিং এবং অথর স্কিমা অনেক অনেক গুরুত্বপুর্ন একটা বিষয়। 


১২।  ⁠বেশ কয়েকটি "ডিমোশন" ফ্যাক্টর রয়েছে যেমন অ্যাঙ্কর মিসম্যাচ (অ্যাঙ্কর ট্যাক্স (ইনবাউন্ড/আউটবাউন্ড - দুইটাই, সাইট কন্টেন্টের সাথে মেলে না), SERP ডিমোশন ( ইউজার SERP থেকে ক্লিক করে না), লোকেশন ডিমোশন ( লোকাল পেজ যদি ভাল ফিট হয়, তাহলে টাইটেলে লোকেশন ম্যানশন করা থাকুন বা না থাকুক, ইউজারের লোকেশন অনুযায়ী গুগল সঠিক রেজাস্ট দেখায় এবং ম্যানিপুলেটেড রেজাল্টগুলোকে  ডিমোশন করা হয়), এডাল্ট সাইট ডিমোশন এবং আরও অনেক।


১৩।⁠ ⁠গুগল সরাসরি YMYL বিষয়গুলো বিবেচনা করে। এবং নতুন কন্টেন্ট ইনডেক্স হওয়া মাত্রই শর্টিং করে যে এই টপিকটা YMYL কি না! 


১৪। দেখবেন অনেক সময় আমরা একটা কন্টেন্ট এ র‍্যাঙ্ক পাই - তার কিছুদিন পর সেই র‍্যাঙ্কিং পজিশনটা হারিয়ে ফেলি। ভালো ট্রাফিক + কন্টেন্ট দিয়ে ভালো অভিজ্ঞতা - এই দুইটার কম্বিনেশন করতে পারলে, র‍্যাঙ্কিং পজিশন স্ট্যাবল থাকার কথা। 


১৫। এই গোপন API ডকে NavBoost এর ম্যানশন করা হয়েছে অনেকবার। এইটার মোদ্দা কথা হচ্ছে  একটা রি-র‍্যাঙ্কিং স্কোর যেটা এক্সিস্টীং র‍্যাঙ্কিং পজিশনকে সবসময় দৌড়ের উপর রাখে। আপনার সাইটে এসে ভিজিটরদের এক্টিভিটি কি? পজিটিভ নাকি নেগেটিভ? অনেকক্ষণ থাকে নাকি ইন্সট্যান্টলি বাউন্স করে? এইগুলোর উপর র‍্যাঙ্কিং এর স্ট্যাবিলিটি ডিপেন্ড করে এবং পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ে এই NavBoost. 


একটা কথা বলে রাখা ভালো - গুগলের এই ডকুমেন্টে কোন এসেন্ডিং বা ডিসেন্ডিং অর্ডার নাই। মানে, আপনার এসইও ক্যাম্পেইনে কোনটা বেশী কাজ করবে, বা কোনটা কম কাজ করবে সেটার কোন আভাস নেই। 


সুতরাং - পড়তে থাকুন। 


শিখতে থাকুন। 


ডাইভার্সিফিকেশনের চিন্তাভাবনা করুন (Traffic Sources & Income Sources, Both)।

No comments

Powered by Blogger.